ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ , ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​""নওগাঁর পত্নীতলা ও ধামুরহাট থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে উদ্ধার ৭০ পিস ট্যাপেন্ডাটল ট্যাবলেট ও ১০০ লিটার চোলাই মদ ""

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৩-০৪-২০২৬ ০১:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৩-০৪-২০২৬ ০১:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন
​""নওগাঁর পত্নীতলা ও ধামুরহাট থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে উদ্ধার ৭০ পিস ট্যাপেন্ডাটল ট্যাবলেট ও ১০০ লিটার চোলাই মদ "" ৭০ পিস ট্যাপেন্ডাটল ট্যাবলেট ও ১০০ লিটার চোলাই মদ ""
""

নওগাঁর পত্নীতলা ও ধামুরহাট থেকে (ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি) মোঃ আকতার হোসেন।

১৩ এপ্রিল ২৬ মধ্যরাতে ধামুরহাট থানার ধামুরহাট পৌরসভার টিএনটি মোড়ে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালীন মোঃ বাবু (৩৮) কে ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত বাবু দক্ষিণ চকযদু গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে বলে জানা যায়। এ বিষয়ে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। 

অপরদিকে ১২ এপ্রিল ২০২৬ রাত ১১ টায় পত্নীতলা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালীন পত্নীতলা থানার নজিপুর পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের মাহমুদপুর গ্রামের আম বাগানের ভিতর কাঁচা রাস্তার উপর পুলিশ টিম পৌঁছালে মাদক কারবারীরা টের পেয়ে একটি তিন চাকা চার্জার ভ্যান ফেলিয়া পালিয়া যায়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে চার্জার ভ্যানটি তল্লাশি কালে উক্ত ভ্যানে রাখা পাঁচটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তায় রক্ষিত ১০টি পলিব্যাগে (প্রতি পলি ব্যাগে ১০ কেজি হিসেবে) ১০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। উক্ত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য, হাসপাতালে মৃত্যু আহত একজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। আজ সকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালেছবি: প্রথম আলো লক্ষ্মীপুরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ওই ব্যক্তি একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাম নাছির আহমদ (৫৫)। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ১ আগস্ট অবসর গ্রহণ করেন তিনি। সর্বশেষ তাঁর কর্মস্থল ছিল লক্ষ্মীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ির প্রবাসী মোহনের ভবনে ভাড়া থাকতেন নাছির আহমেদ। অবসরে যাওয়ার পর তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তাঁর দুই ছেলের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। ওই ছেলেকে নিয়ে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী চাঁদপুরে গ্রামের বাড়িতে যান। ঘরে কেবল নাছির ও তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে ইমরান হোসেন (২১) ছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে অতর্কিতে ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন নাছির। আহত অবস্থায় ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নাছির তাঁকে ধাওয়া দেন। তা দেখে দা হাতে থাকা নাছিরকে আটকাতে যান মিজানুর রহমান ও নাসির আহমদ নামে দুই প্রতিবেশী। এ সময় ওই দুজনকেও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে হাতে দা নিয়েই তিনতলা ভবনটির ছাদে উঠে নিচে লাফ দেন নাছির আহমদ। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় দা হাতে তিনি বসে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় বিষয়টি জানিয়ে আহত অন্য তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের একটি দল এসে নাছির আহমদকেও উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অরূপ পাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’
ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য, হাসপাতালে মৃত্যু আহত একজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। আজ সকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালেছবি: প্রথম আলো লক্ষ্মীপুরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ওই ব্যক্তি একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাম নাছির আহমদ (৫৫)। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ১ আগস্ট অবসর গ্রহণ করেন তিনি। সর্বশেষ তাঁর কর্মস্থল ছিল লক্ষ্মীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ির প্রবাসী মোহনের ভবনে ভাড়া থাকতেন নাছির আহমেদ। অবসরে যাওয়ার পর তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তাঁর দুই ছেলের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। ওই ছেলেকে নিয়ে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী চাঁদপুরে গ্রামের বাড়িতে যান। ঘরে কেবল নাছির ও তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে ইমরান হোসেন (২১) ছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে অতর্কিতে ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন নাছির। আহত অবস্থায় ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নাছির তাঁকে ধাওয়া দেন। তা দেখে দা হাতে থাকা নাছিরকে আটকাতে যান মিজানুর রহমান ও নাসির আহমদ নামে দুই প্রতিবেশী। এ সময় ওই দুজনকেও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে হাতে দা নিয়েই তিনতলা ভবনটির ছাদে উঠে নিচে লাফ দেন নাছির আহমদ। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় দা হাতে তিনি বসে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় বিষয়টি জানিয়ে আহত অন্য তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের একটি দল এসে নাছির আহমদকেও উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অরূপ পাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’

সর্বশেষ সংবাদ

ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য, হাসপাতালে মৃত্যু আহত একজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। আজ সকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালেছবি: প্রথম আলো লক্ষ্মীপুরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ওই ব্যক্তি একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাম নাছির আহমদ (৫৫)। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ১ আগস্ট অবসর গ্রহণ করেন তিনি। সর্বশেষ তাঁর কর্মস্থল ছিল লক্ষ্মীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ির প্রবাসী মোহনের ভবনে ভাড়া থাকতেন নাছির আহমেদ। অবসরে যাওয়ার পর তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তাঁর দুই ছেলের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। ওই ছেলেকে নিয়ে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী চাঁদপুরে গ্রামের বাড়িতে যান। ঘরে কেবল নাছির ও তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে ইমরান হোসেন (২১) ছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে অতর্কিতে ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন নাছির। আহত অবস্থায় ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নাছির তাঁকে ধাওয়া দেন। তা দেখে দা হাতে থাকা নাছিরকে আটকাতে যান মিজানুর রহমান ও নাসির আহমদ নামে দুই প্রতিবেশী। এ সময় ওই দুজনকেও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে হাতে দা নিয়েই তিনতলা ভবনটির ছাদে উঠে নিচে লাফ দেন নাছির আহমদ। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় দা হাতে তিনি বসে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় বিষয়টি জানিয়ে আহত অন্য তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের একটি দল এসে নাছির আহমদকেও উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অরূপ পাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’
ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য, হাসপাতালে মৃত্যু আহত একজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। আজ সকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালেছবি: প্রথম আলো লক্ষ্মীপুরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ওই ব্যক্তি একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাম নাছির আহমদ (৫৫)। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ১ আগস্ট অবসর গ্রহণ করেন তিনি। সর্বশেষ তাঁর কর্মস্থল ছিল লক্ষ্মীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ির প্রবাসী মোহনের ভবনে ভাড়া থাকতেন নাছির আহমেদ। অবসরে যাওয়ার পর তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তাঁর দুই ছেলের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। ওই ছেলেকে নিয়ে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী চাঁদপুরে গ্রামের বাড়িতে যান। ঘরে কেবল নাছির ও তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে ইমরান হোসেন (২১) ছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে অতর্কিতে ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন নাছির। আহত অবস্থায় ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নাছির তাঁকে ধাওয়া দেন। তা দেখে দা হাতে থাকা নাছিরকে আটকাতে যান মিজানুর রহমান ও নাসির আহমদ নামে দুই প্রতিবেশী। এ সময় ওই দুজনকেও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে হাতে দা নিয়েই তিনতলা ভবনটির ছাদে উঠে নিচে লাফ দেন নাছির আহমদ। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় দা হাতে তিনি বসে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় বিষয়টি জানিয়ে আহত অন্য তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের একটি দল এসে নাছির আহমদকেও উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অরূপ পাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’